ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবো
ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer account খোলার গুরুত্ব কতটা জরুরী তা নিয়ে আজকের আর্টিকেল। আমরা আজকাল অনেকে ফ্রিল্যান্সিং কাজ শিখে বাইরে দেশের সাথে কাজ করে ডলার ইনকাম করি কিন্তু তা হাতে পাওয়ার জন্য payoneer একাউন্টের দরকার হয়।
কিন্তু পেনিয়ার একাউন্ট কিভাবে খুলবো তা আমরা অনেকেই জানিনা। যারা খুব শীঘ্রই একটা payoneer একাউন্ট খুলতে চান তারা এই পোস্টটা খুব যত্ন সহকারে পড়ুন। Payoneer অ্যাকাউন্ট মূলত তারাই খুলবে যারা বাইরে দেশের সাথে কাজ করে ডলার ইনকাম করে। তাহলে চলুন ভ্রমণ করে আসি এই আর্টিকেল হতে এবং payoneer অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসি।
পেজ সূচিপত্র: ডলা রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবো
- Payoneer একাউন্ট কি
- Payoneer একাউন্ট কাদের জন্য
- Payoneer একাউন্ট কিভাবে কাজ করে
- Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলে আপনার লাভ কি
- Payoneer এর সিকিউরিটি সেটাপ গুরুত্ব কেমন
- ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer একাউন্টের প্রয়োজনীয়তা
- ডলার রিসিভ করার পর Payoneer থেকে টাকা তোলার উপায়
- বর্তমানে Payoneer একাউন্টের নিরাপত্তা কেমন
- ফ্রিল্যান্সিংদের জন্য payoneer একাউন্ট কেমন
- Payoneer একাউন্টের মাধ্যমে টাকা উঠানোর খরচ কেমন
- ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট কিভাবে খুলবো
- শেষ কথা
Payoneer একাউন্ট কি
Payoneer অ্যাকাউন্ট হল একটি আমেরিকান আর্থিক সংস্থা যা অনলাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল ভাবে পেমেন্ট করা হয় যা অনলাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল ভাবে পেমেন্ট করা হয়। এটি সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং জগতের ইউজাররা ব্যবহার করে থাকে। তারা বাইরের দেশের সাথে কাজ করার ফলে ডলার আন করে এবং তা রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট দরকার হয়। এটি এক ধরনের আন্তর্জাতিক সংস্থা যা মূলত ফ্রিল্যান্সার, ব্যবসা এবং অনলাইনে বিক্রেতাদের জন্য সহজে পেমেন্ট পাওয়ার একটা ডিজিটাল সেতু।
Payoneer হলো একটা অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্টের ব্যবস্থা। আজকাল ভিন্ন ভিন্ন দেশের মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করে, এর মাধ্যমে ডলার ইনকাম করে। আর এই ডলার রিসিভ করার জন্যই Payoneer একাউন্টের প্রয়োজন হয়। এখানে শুধু ফ্রিল্যান্সাররা এটি ব্যবহার করে না, ব্যবহার করে অনেক কোম্পানি, অনেক বিজনেসম্যান। যেমন: Amazon, Google , Airbnb এর মত বড় বড় কোম্পানিরাও পেওনিয়ার দিয়ে পেমেন্ট করে। সুতরাং পেওনিয়ার একাউন্ট অনলাইনে জগতের ইউজারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
আরো পড়ুন: অনলাইনে টিউশনি করে আয় করুন
Payoneer অ্যাকাউন্ট সাধারণত কাজের জন্য
Payoneer অ্যাকাউন্ট অনলাইনে জগতের ব্যবহারকারীদের জন্য। যারা অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম সোর্স তৈরি করেছে এবং বাইরের দেশের সাথে কাজ করছে, বাইরের দেশের ক্লাইন্টদের সাথে কাজ করে যে ডলার ইনকাম করে কিন্তু ডলার রিসিভ করতে পারছে না। সাধারণত তারা Payoneer একাউন্ট ব্যবহার করে। একি অনেক বড় বড় অনলাইন কোম্পানি ব্যবহার করে। সাধারণত ফ্রিল্যান্সার, ডিজিটাল মার্কেটর, অনলাইন কোম্পানি, অনলাইন বিজনেসম্যান বেশি ব্যবহার করে থাকে।
উদাহরণস্বরূপ: মনে করেন আপনি একজন ফিন্যান্সার, আপনি বিদেশি ক্লাইন্ট দের কাজ হতে ডলার আর্ন করেছেন কিন্তু তা রিসিভ করতে পারছেন না। এজন্য আপনার প্রয়োজন Payoneer। যার মাধ্যমে আপনি অতি দ্রুত টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। এজন্যই একজন ফ্রিল্যান্সার খুব সহজেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্লায়েন্টের কাছ হতে ডলার গ্রহন করতে পারে, তেমনি একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইউরোপের গ্রাহকদের কাছ থেকে ইউরোপে পেমেন্ট নিতে পারে। শুধুমাত্র Payoneer এর জন্য।
Payoneer একাউন্ট কিভাবে কাজ করে
Payoneer অ্যাকাউন্ট সাধারণত আপনাকে বিভিন্ন দেশের টাকা উঠানোর জন্য একটা ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট খুলে দেয়। যার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসেই খুব সহজেই পেমেন্ট পেয়ে থাকেন। আপনি এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সরাসরি আপনার Payoneer অ্যাকাউন্টে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন। যেমন: Amazon, Google,Fiver ইত্যাদি। আবার ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে Payoneer আপনাকে আমেরিকা ইউরোপ জাপান কানাডা দেশগুলোর লোকাল ব্যাংক একাউন্টের মত করে পেমেন্ট রিসিভ করার সুযোগ দেয়।
আবার আপনি একটি ফিজিক্যাল বা ভার্চুয়াল Payoneer মাস্টার কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন যা আপনাকে অনেক সুবিধা দিবে। যেমন: এ কার্ড নিয়ে আপনি দোকানে কেনাকাটা, অনলাইনে শপিং, নগদ বা বিকাশের টাকা ট্রান্সফার ইতাজি কাজে ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও এটি পেওনিয়ার থেকে পেওনিয়ার একাউন্টে বিনামূল্যে টাকা পাঠানো যায়।
Payoneer একাউন্ট খুলে আপনার লাভ কি
ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer অ্যাকাউন্ট খোলা কতটা লাভ জনক শুধু যারা খুলেছে তারা জানে। এই অ্যাকাউন্ট খুলে অনলাইন ইউজার, ফ্রিল্যান্সার, মার্কেটার ইত্যাদি অনলাইন পেশায় নিয়োজিত সকলেই অনেক লাভবান হয়েছে। তারা কম সময়ের মাধ্যমে অতি দ্রুত ডলার রিসিভ করতে পেরেছে। ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ গুলোর স্থানীয় ব্যাংক একাউন্ট এর মতো পেমেন্ট রিসিভ করার সুবিধা লাভ করেছে। পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড এর মাধ্যমে জীবন উপভোগ করছে।
বড় বড় অনলাইন কোম্পানিরা খুব সহজে ডলার রিসিভ করার সুযোগ পাচ্ছে। শুধু তাই নয় তাদের পেওনিয়ার একাউন্ট থাকলে তারা পেওনিয়ার একাউন্টে ডলার রিসিভ করছে বিনামূল্যে। এছাড়াও ফ্রিল্যান্সারেরা এর মাধ্যমে বিভিন্নভাবে টাকা উত্তোলন করছে এবং জীবন উপভোগ করছে। সরাসরি পেওনিয়ার আপনার বিকাশ একাউন্টে টাকা আনার সুবিধাও দিয়েছে। এছাড়াও আপনি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে আপনার পেনিয়ার একাউন্ট পরিচালনা ও লেনদেন করতে পারবেন।
আরো পড়ুন: ফ্রিল্যান্সিং শিখে মাসে লাখ টাকা আয় করুন
Payoneer এর সিকিউরিটি সেটাপের গুরুত্ব কেমন
প্রত্যেক কাজে সিকিউরিটি সেটাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলুন আমরা এ ধাপে জেনে নিই কিভাবে সিকিউরিটি সেটাপ দেওয়া যায় এবং তার গুরুত্ব? সিকিউরিটি সেটাপ এমন কিছু দিতে হবে যেটা আপনার মনে থাকার মত কেননা এটা ভুলে গেলে অ্যাকাউন্ট ওপেন হতে সমস্যা। তাই সিকিউরিটি সেটা দেওয়ার পর আপনার পার্সোনাল কোন জায়গায় লিখে রাখবেন যাতে ভুলে গেলেও পরে দেখে মনে রাখতে পারে।
আর এমন একটা পাসওয়ার্ড দিবেন যেটা সবগুলো বর্ণ সংখ্যা মিলে তৈরি। যেমন: mzx@$Ufd234& এমন। যাতে পাসওয়ার্ড হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। সিকিউরিটি সেটাপ শেষ হলে আপনার এখন অনেকটা নিরাপদ হয়ে যায়। হ্যাকারদের চেষ্টা বিফলে যায়। তাই আপনি সিকিউরিটি সেটাপ খুব গুরুত্ব সহকারে দিবেন।
ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্টের প্রয়োজনীয়তা
ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি কারণ মূলত এর এর জন্য আন্তর্জাতিক লেনদেনের জটিলতা কমে এবং অল্প খরচে তা হাতে পাওয়া যায়। আজকাল মানুষ ঘরে বসে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে ডলার গ্রহণ করতে পারে শুধু পেওনিয়ার জন্য। একজন গ্রাহক Payoneer একাউন্টের জন্য অতি দ্রুত ডলার থেকে টাকা রিসিভ করতে পারে। যেমন:
- পেওনিয়ার এর মাধ্যমে ডলার রিসিভ করা খুব সহজ মনে হয়
- লেনদেন খুব দ্রুত হচ্ছে যার ফলে অনলাইনের ব্যবহারকারীরা তাড়াতাড়ি ওদের টাকা কাজে লাগাতে পারে
- এটা অনেক সাশ্রয়ী লেনদেন বলে সকলে মনে করে
- আন্তর্জাতিক লেনদেনের জটিলতা নেই বললেই চলে
- মুদ্রা বা টাকা বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া যায়
- বাইরে দেশগুলোতে স্থানীয় ব্যাংক একাউন্টের সুবিধা পাওয়া যায়
এক কথায় ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট এর ভূমিকা অপরিহার্য। পিওনিয়র অ্যাকউন্ট ছাড়া ডলার রিসিভ করা অসম্ভব। কারণ পেওনিয়ার একাউন্ট হলো আন্তর্জাতিক অনলাইন প্লাটফর্ম অ্যাকাউন্ট। যার মাধ্যমে মানুষ সহজেই ডলার রিসিভ করতে পারে।
আরো পড়ুন : নতুন ভিডিও পেতে অ্যাপস ডাউনলোড করুন
ডলার রিসিভ করার পর পেওনিয়ার থেকে টাকা তোলার উপায়
ডলার রিসিভ করার পর এবার আসলো পেওনিয়ার থেকে টাকা তোলার নিয়ম। পেওনিয়ার থেকে বাংলাদেশে টাকা তোলার জন্য কিছু নিয়ম রয়েছে । যেমন: পেওনিয়ার থেকে ওনার বাংলাদেশের ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোন ফিভার চার্জ লাগবে না। কাজটি সম্পন্ন হতে দুই থেকে চার দিন লাগে। আবার বিকাশও টাকা নিতে পারেন পেওনিয়ার থেকে সরাসরি। শুধু আপনার নাম্বারে বিকাশ একাউন্ট খোলা থাকতে হবে তাহলে আপনি বিকাশ অ্যাপ এ লগইন করে টাকা তুলতে পারবেন।
এছাড়াও আপনি পেওনিয়ার কার্ড ব্যবহার করে ATM থেকে টাকা তুলতে পারবেন, বা অনলাইনে শপিং করতে পারবেন। এখানে কার্ডের জন্য আলাদা ফী প্রদান করতে হয়। পেওনিয়ার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু ফ্রি দেয়া প্রযোজ্য, যেমন কারেন্সি এক্সচেঞ্জ ফি, এটিএম উইথড্র ফি ইত্যাদি। তাই টাকা তোলার আগে আপনি ভালো করে জেনে নেবেন কোন সেকশনে ফি কেমন লাগে। তাহলে আপনার জন্য অনেক সহজ হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
বর্তমানে Payoneer একাউন্টের নিরাপত্তা কেমন
বর্তমানে পেওনিয়ার একাউন্টের গুরুত্ব অনেক বেশি তাই এর নিরাপত্তা ও খুব জোরালো। কেননা এটি একটি আন্তর্জাতিক পেমেন্টের রাস্তা। এই একাউন্টের নিরাপত্তা এমনই জোরালো যে এখানে কোন প্রকার জালিয়াতি হওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়াও এই একাউন্টে রয়েছে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন, টু স্টেপ ভেরিফিকেশন থাকলে আর নিরাপত্তার প্রয়োজন পড়ে না। কেননা এ ভেরিফিকেশন অনেক যত্ন সহকারে আপনার একাউন্টের সকল তথ্য আপনার কাছে মোবাইল কার্ডের নম্বরে একটি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড পাঠায় এবং ভেরিফিকেশন চাই। যে এটি আপনি কিনা। এভাবে আপনার একাউন্ট রক্ষা করে।
এমনকি পেওনিয়ার একটি শক্তিশালী ও সক্রিয় জালিয়াতি প্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে । এটি প্রতিটি লেনদেন এবং একাউন্টের গতিবিধি অনেক বিচক্ষণ ভাবে পর্যবেক্ষণ করে, যাতে কোন হ্যাকার সহজে আপনার একাউন্টে না ধরতে সাহস পায়। এছাড়াও পেওনিয়ার গ্রাহকদের তাদের নিজস্ব ব্যবসায়িক তহবিল থেকে আলাদা করে রাখে। যাতে করে কারো সাথে কারো গরমিল না হয়। এজন্য আমি মনে করি প্রিওনিয়ার একাউন্ট অনলাইন জগতের একটি জোরালো নিরাপত্তা অ্যাকাউন্ট।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট কেমন
অনলাইন জগতে একটা বড় জায়গা দখল করে আছে ফ্রিল্যান্সাররা। আর ফ্রিল্যান্সাররা বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে বিজনেস করে আয় করছে বিদেশি ডলার। আর এই ডলার রিসিভ করার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে পেওনিয়ার একাউন্ট। ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি একটি আন্তর্জাতিক প্রেমেন্টের রাস্তা। যা খুব সহজে একজন ফ্রিল্যান্সার সহজে পেমেন্ট পেতে সক্ষম হয়।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এ মাধ্যম একেবারে উপযুক্ত। কারণ এটি ব্যবহার করে তারা ভার্চুয়াল আমেরিকান ব্যাংক একাউন্ট সরবরাহ করে, খুব সহজে ডলার গ্রহণ করতে পারেন। মনে করেন তারা কোন একটা আমেরিকার ব্যাংক হতে টাকা তুলছে। সুতরাং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পেওনিয়ার সত্যি খুবই সাশ্রয়ী এবং ঝামেলা মুক্ত একটি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট এর মাধ্যম।
আরো পড়ুন: অনলাইনের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সহজ উপায়
পেওনিয়ার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমের টাকা উঠানোর খরচ কেমন
পেওনিয়ার একাউন্ট খোলার জন্য কোন প্রকার চার্জ ফি কাটেনা, এমনকি টাকা রিসিভ করার পরও কোন ফি কাটেনা। এখানে বিদেশে ক্লায়েন্ট যখন আপনার একাউন্টে ডলার পাঠায় তখন আপনি সেটা ব্যাংকের মাধ্যমে উত্তোলন করলে কিছু সামান্য পরিমাণ চার্জ কাটে। যেমন: মনে করেন আপনি ব্যাংক থেকে টাকা উইথড্র দিলে পিনর0 ২% বা তার কম ফি কাটে। এটা ব্যাংক একাউন্ট এর ক্ষেত্রে।
আবার অনেক ক্ষেত্রে একাউন্টের মাধ্যমে ট্রান্সফার হলে কোন প্রকার ফি লাগে না। আবার কার্ডের ক্ষেত্রে কিছু পরিমাণ ফি চার্জ দেওয়া লাগে। তবে কেনার ব্যবহার ক্ষেত্রে কিছু কি প্রযোজ্য যেমন কারেন্সি এক্সচেঞ্জ ফি, এটিএম উইথড্রো ফি। এটা কার্ডের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়।
ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট কিভাবে খুলবো
ডলার রিসিভ করার জন্য পেনিয়ার হল একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্টের ব্যবস্থা। তাই একাউন্ট খোলার আগে যে সব তথ্য লাগবে তাহলে-
প্রথমে আপনাকে ওয়েবসাইটে গিয়ে Payoneer ওয়েব পেজ চালু করতে হবে তারপর রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। শুরু হলো আপনার আসল তথ্য, আপনার এনআইডি কার্ডের সাথে মিল রেখে নাম, জন্ম তারিখ দিতে হবে। আপনার মেইল আইডি দিতে হবে যেটা আপনার কাছে সব সময় থাকে। এরপর আপনাকে চেক করতে হবে যে আপনার NID কার্ডের সাথে ওগো মিল আছে কিনা। তারপর Next ক্লিক করে পরের ধাপে যেতে হবে।
এখানে আপনার বর্তমান যোগাযোগ ব্যবস্থা, আপনার বর্তমান ঠিকানা , আপনার শহরে এবং পোস্ট কোড দিতে হবে। এবং আপনার মোবাইল নাম্বার দিতে হবে , যে নম্বরে আপনাকে সব সময় পাবে। এরপর আপনার নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে, আপনার এনআইডি কার্ডের নাম্বার দিতে হবে। তারপর আপনি ব্যাংক কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ কে সিলেক্ট করতে হবে বাংলাদেশি টাকাকে নির্বাচন করতে হবে। নির্দিষ্ট ব্যাংকের নাম এবং সঠিক একাউন্ট নাম্বার দিতে হবে। সর্বশেষ সাবমিট করতে হবে। এভাবেই আপনার আবেদন জমা হওয়ার পর আপনার একটা পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট তৈরি হবে।
আপনার পেওনিয়ার একাউন্ট তৈরি হওয়ার পর আপনি একাউন্টের লগইন করতে পারবেন এবং ডলার গ্রহণ শুরু করতে পারবেন। এভাবে একাউন্ট খুললে আশা রাখি আপনি উপকৃত হবেন।
আরও পড়ুন: ফ্রিতে chatGPT ডাউনলোড করুন
শেষ কথা: ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট কিভাবে খুলবো
আজকে আমরা আলোচনা করলাম ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট কিভাবে খুলবো। একাউন্ট খোলার জন্য বিশেষ দিক মানতে হয় না। শুধু কয়েকটি নিয়ম ফলো করলে এই একাউন্ট খোলা যায়। আপনার নাম, জন্ম তারিখ, বর্তমান ঠিকানা, এনআইডি কার্ডের নম্বর, আপনার মোবাইল নম্বর, আপনার ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নম্বর এসব তথ্য হলেই আপনি অ্যাকাউন্টটা খুব সহজেই খুলতে পারবেন।
আপনি যদি এই এসব তথ্য নিয়ে একাউন্ট খুলেন তাহলে আপনি খুব সহজে ডলার রিসিভ করতে পারবেন কারণ এটি একটি আন্তর্জাতিক মাধ্যম বা রাস্তা। এটি মূলত একই সহজ প্রক্রিয়া যেখানে প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে অনুসরণ করলে খুব দ্রুত আপনি আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য প্রস্তুত হতে পারবেন। প্রিয় বন্ধুরা, আশা করি আপনি এই আর্টিকেল বুঝতে পেরেছেন , কত সহজ উপায়ে ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ির একাউন্ট খোলা যায়।
গ্রোমার্কেটিং আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url