ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি
কিভাবে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়? আমরা অনেকেই জানিনা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার অ্যাকউন্ট কিভাবে খুলতে হয় বা খোলার পদ্ধতি কেমন। আজকের আর্টিকেলে ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
যারা ফ্রিল্যান্সার আছেন, এখনো অ্যাকাউন্ট খুলেননি বা আগ্রহ আছে একাউন্ট খোলার তারা আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। নিম্নে এই আর্টিকেলে ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
পেজ সূচিপত্র: ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
- ফ্রিল্যান্সার মানে কি
- ফ্রিল্যান্সাররা কেন ডলার আর্ন করে
- কিভাবে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলা হবে
- ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কোন একাউন্ট ভালো
- সত্যি কি পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ভালো
- ফ্রিল্যান্সারেরা কয়ভবে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে
- পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি
- ব্যাংক ( RFCD/Dual Currency) একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
- ওয়াইজ একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
- ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার ক্ষেত্রে কোন একাউন্ট বেশি নিরাপত্তাযোগ্য
- শেষ কথা
ফ্রিল্যান্সার মানে কি
ফ্রিল্যান্সার হলো এমন পেশা যেখানে মানুষ মুক্তভাবে কাজ করতে পারে, ধরা বাধা নিয়ম নেই, কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে চাকরি করে না। আপনি আপনার নিজের পছন্দের সময় মতন কাজ করতে পারেন, আপনার পছন্দের জায়গায় বসে। এর জন্য ফ্রিল্যান্সার হল একজন স্বাধীন পেশাজীবী মানুষ। এর বদলে তারা নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে চুক্তি বা প্রজেক্ট ভিত্তিতে বিভিন্ন ব্যক্তি বা কোম্পানির হয়ে কাজ করে থাকেন।
ফ্রিল্যান্সারদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, তারা নিজেরাই নিজেদের বস। নিজের সুবিধা যেন সময়ে এবং পছন্দমত প্রজেক্টে কাজ করে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা একটি প্রজেক্ট শেষ করার চুক্তিতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপয়েন্ট, কন্টেন্ট রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, অনুবাদ ইত্যাদি ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়।
আরো পড়ুন: ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে লাখ টাকা আয় করুন
ফ্রিল্যান্সাররা কেন ডলার আর্ন করে
আজকাল বিভিন্ন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্তের ক্লায়েন্টের কাজ করে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অনেক সহজ হয়ে গেছে। ফ্রিল্যান্সারেরা মূলত বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করেন। এসব দেশের মুদ্রার মান ( যেমন: মার্কিন ডলার) অনেক বেশি শক্তিশালী হওয়ায়, ফ্রিল্যান্সাররা তাদের কাজের পেমেন্ট হিসেবে ডলার বা অন্য কোন বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণ করে থাকেন।
হেলাল স্যাররা মূলত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা ইউরোপের মতন উন্নত দেশগুলোর ক্লায়েন্ট বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করেন। এবং বৈদেশিক ডলার ইনকাম করেন। আবার অধিকাংশ ফ্লঞ্চার প্ল্যাটফর্ম বা সরাসরি চোখের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করেন। আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য ও সাধারণ মুদ্রা হিসেবে ডলার দিয়ে থাকে।
কিভাবে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলারের রিসিভ করার একাউন্ট খোলা হবে
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্ট দুইভাবে খোলা যেতে পারে। যেমন:
1. Payoneer account খোলার পদ্ধতি
প্রথমে Payoneer ওয়েবসাইটে (payoneer.com) গিয়ে 'রেজিস্টার' বা 'সাইন আপ' বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর ফ্রিল্যান্সারের ব্যক্তিগত ক্যাটাগরি সিলেট করতে হবে এবং তার জাতীয় পরিচয় পত্র সাথে মিল রেখে নাম, ইমেইল, জন্ম, তারিখ, এবং ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। পেমেন্ট উইথড্র করার জন্য আপনার নিজের দেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্রাঞ্চের নাম ও SWIFT কোড দিতে হবে। এরপর ভেরিফিকেশন করতে হবে তারপর সাবমিট করতে হবে।
2.( RFCD/Dual Currency) ব্যাংক একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
এখানে আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অর্থাৎ আপনাকে এনআইডি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, টি আই এন সার্টিফিকেট ফ্রিল্যান্সিং আয়ের প্রমাণ সাথে নিতে হবে। তারপর যেকোনো ভালো সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে এবং ব্যাংকে গিয়ে 'ফ্রিল্যান্সার ইউএসডি একাউন্ট' বা RFCD একাউন্ট খোলার কথা বলতে হবে। এই অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে আপনি সরাসরি ডলারে পেমেন্ট গ্রহন করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কোন একাউন্ট ভালো
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট ভালো। কারণ ফ্রিল্যান্সারদের আয় সহযোগী নিরাপদ দেশে আনার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট সবচেয়ে সেরা ও জনপ্রিয়। পাশাপাশি অন্য ব্যাংক একাউন্ট পেমেন্ট আনার জন্য ভালো। তবে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নিরাপদ ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer একাউন্ট হল সবচেয়ে ভালো।
কারণ পেওনিয়ার একাউন্ট হলো ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অত্যাধিক সুবিধা জনক ও লাভজনক একাউন্ট। এর মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন দেশের ক্লায়েন্ট বা মার্কেটপ্লেস খুব সহজে ডলার গ্রহণ করতে পারবে। একটি ভার্চুয়াল ইউএস ব্যাংক একাউন্ট যা ক্লায়েন্টের প্রেমেন্ট রিসিভ করার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। টাকা উইথড্র করার জন্য সরাসরি বাংলাদেশের লোকাল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা বিকাশে টাকা ট্রান্সফার করা যায়। আমার মতে, পেওনিয়ার একাউন্ট হলো ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ভালো।
আর পড়ুন: লোকাল ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
সত্যি কি ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট ভালো
হাঁ, সত্যি ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট ভালো। কারণ পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট হল অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্টের ব্যবস্থা। এই অ্যাকাউন্ট সাধারণত আপনাকে বিভিন্ন দেশের টাকা উঠানোর জন্য একটি ভার্চুয়াল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়। যার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে খুব সহজে পেমেন্ট হয়ে থাকেন। আপনি এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সরাসরি আপনার পেওনিয়ারন একাউন্টে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন। এজন্য একজন ফ্রিল্যান্সার খুব সহজে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লায়েন্টের কাজ হতে ডলার গ্রহন করতে পারে।
ডলার রিসিভ করার জন্য পেওনিয়ার একাউন্ট খোলা সত্যি অনেক লাভজনক। এই এখন খুলে অনেক ফ্রিল্যান্সার, মার্কেটার, অনলাইন ইউজার এবং অনলাইন পেশায় নিয়োজিত সকলে অনেক লাভবান হয়েছে। তারা কম সময়ের মাধ্যমে অতি দ্রুত ডলার রিসিভ করতে পেরেছে। ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশগুলোর স্থানের ব্যাংক একাউন্ট এর মত পেমেন্ট রিসিভ করার সুবিধা লাভ করেছে। পেওনিয়ার মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা জীবনে উপভোগ করছে।
ফ্রিল্যান্সারেরা কয় ভাবে একাউন্ট খুলতে পারে
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট বাটলার রিসিভ করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় সহজ মাধ্যমে payoneer। এছাড়া সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা wise ব্যবহার করা যায়।
ফ্রিল্যান্সাররা সাধারণত দুই- তিনভাবে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। যেমন:
- পেওনিয়ার ( Payoneer) একাউন্ট খুলতে পারে
- ব্যাংক (RFCD/Dual Currency) অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে
- ওয়াইজ ( Wise) অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে
পেওনিয়ার (payoneer) একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট হল আন্তর্জাতিক পেমেন্টের রাস্তা । এই অ্যাকাউন্ট থাকলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস যেমন-Upwork, Fiverr বা সরাসরি বিদেশি ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে ডলার রিসিভ করে তা বাংলাদেশী টাকায় নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আনতে পারবেন। চলো এখন খোলা নিয়ম জানি-
- পেওনিয়ার ওয়েবসাইটে ( payoneer.com) গিয়ে 'রেজিস্টার' বা 'সাইন বাটনে' ক্লিক করুন।
- 'ফ্রিল্যান্সার' বা ব্যক্তিগত ক্যাটাগরি সিলেট করুন।
- আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের সাথে মিল রেখে নাম, ইমেল, জন্ম তারিখ এবং ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করুন।
- পেমেন্ট উইথড্র করার জন্য আপনার নিজের দেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্রাঞ্চের নাম ওSWIFT কোন দিন।
- সাবমিট করার আগে আপনি আবার ভালোভাবে চেক করে নেন ,যাতে করে কোন প্রকার ভুল তথ্য না থাকে। সবকিছু তথ্য ঠিক থাকলে সাবমিট করুন।
আরো পড়ুন: আন্তর্জাতিক পেমেন্ট পাওয়ার উপায় জানুন
ব্যাংক বা ডুয়াল কারেন্সি একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
বাংলাদেশি ব্যাংকগুলো ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা বাটলার জমা রাখার সুবিধা দিয়ে থাকে। চলুন জেনে নি ই ব্যাংক একাউন্ট খোলার পদ্ধতি-
- আপনার এনআইডি কার্ড বা পাসপোর্ট,পাসপোর্ট সাইজের ছবি, টিআইএন সার্টিফিকেট, এবং ফ্রিল্যান্সিং আয়ের প্রমাণ( যেমন- Upwork / Fiverr প্রোফাইল বা কাজের চুক্তিপত্র) সাথে রাখুন।
- যেকোনো একটা ভালো সরকারি ভাবে সরকারি ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন। যেমন- সোনালী ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংক ইত্যাদি।
- ব্যাংকে গিয়ে ' Freelancer USD Account ' বা ' RFCD' একাউন্ট খোলার কথা বলুন। এই অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে আপনি সরাসরি ডলারের পেমেন্ট গ্রহণ এর সুযোগ পাবেন।
ওয়াইস একাউন্ট খোলার পদ্ধতি
- ওয়াইজ এর ওয়েবসাইটে বা অ্যাপে গিয়ে একটি ফ্রি মাল্টি কারেন্সি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
- এর মাধ্যমে আপনি ইউএস ডলার, ইউরো বা পাউন্ড এর জন্য আলাদা রিসিভিং account details পাবেন।
- ক্লায়েন্টরা ঐ ব্যাংক ডিটেলসে পেমেন্ট পাঠাতে পারবে এবং আপনি পরবর্তীতে তার নিজের বাংলাদেশী ব্যাংক বা পেওনিয়ার একাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এখন একাউন্ট ডলার রিসিভ করার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাযোগ্য
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার ক্ষেত্রে 'পেওনিয়ার' একাউন্ট বেশি নিরাপদ যোগ্য। কারণ এই অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে ডলার রিসিভ হলে জালিয়াতি, চুরি বা হ্যাকারদের হতে নিরাপত্তা থাকে। কেননা এটি একটি আন্তর্জাতিক পেমেন্টের মাধ্যম। যা বিশ্বের সাথে সম্পৃক্ত। এই অ্যাকাউন্টে সিকিউরিটি সেটা এতই জোরালো যে হ্যাকাররা এর আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে পারে না।
এছাড়াও ইউনিয়নের মাধ্যমে ডলার রিসিভ করা খুব সহজ। লেনদেন খুব দ্রুত হয় যার ফলে অনলাইন ব্যবহারকারীরা তাড়াতাড়ি ওদের টাকা কাজে লাগাতে পারে। এটা অনেক বেশি সাশ্রয়ী লেনদেন বলে সকলেই জানে। আন্তর্জাতিক লেনদেনের কোন প্রকার জটিলতা নেই বললেই চলে। মুদ্রাবাদ টাকা বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া যায় এই একাউন্ট হতে। বাইরে দেশগুলোতে স্থানে ব্যাংক একাউন্টের সুবিধা পাওয়া যায়।
আরো পড়ুন: বাংলা আর্টিকেল লিখে সপ্তাহে চার হাজার টাকা আয় করুন
শেষ কথা: ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি
ফ্রিল্যান্সাররা সাধারণত পেওনিয়ার একাউন্ট ব্যবহার করতে পছন্দ করে। কারণ একজন ফ্রিল্যান্সার চাই সবদিক হতে সাক্সেস হতে। পেওনিয়ার একাউন্ট হলো তার জলন্ত প্রমাণ। এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সাররা অনেক উপকৃত হয়েছে আমার জানামতে। কারণ এই অ্যাকাউন্টে নেই কোন জটিলতা, নেই কোন ভেজাল আর নেই কোন জালিয়াতি। বা জালিয়াতি হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই একাউন্টে। এই দিক হতে এই অ্যাকাউন্ট আরো বেশি নিরাপত্তা যোগ্য।
আশা করি, আমার এই আর্টিকেল পড়ে আপনি ডলার রিসিভ করার অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। আমার এ আর্টিকেলে যদি কোন প্রকার ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। শুভকামনা রইল।
গ্রোমার্কেটিং আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url